রামগতি উপজেলা বিএনপির কমিটিতে পদবঞ্চিত কৃষকদল সাধারন সম্পাদক দিদার S S M প্রকাশিত: ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ দেশালোক: সদ্য ঘোষিত রামগতি উপজেলার ১০১ সদস্যের নির্বাহি কমিটিতে স্থান মেলেনি উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দিদার উদ্দিনের। প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকলেও বিএনপির উপজেলা কমিটিতে তার স্থান না পাওয়ার বিষয়টি অনেককেই হতাশ করেছে। ঘোষিত কমিটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বিএনপির এ কমিটিতে প্রায় প্রতিটি অঙ্গ সংগঠন থেকে প্রথম দিকে নেতৃত্বে থাকা বিশেষ করে সভাপিত—সাধারন সম্পাদক (আহবায়ক, যুগ্মআবহায়ক) নেতাদের স্থান হলেও একমাত্র ব্যাতিক্রম ঘটেছে উপজেলা কৃষকদলের ক্ষেত্রে। কৃষকদলের সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেনকে কৃষি বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হলেও সাধারণ সম্পাদককে রাখা হয়নি কোন পদে। অনুসন্ধানে জানা যায়, মো. দিদার উদ্দিনের বিএনপিতে হাতে খড়ি পৌর বিনএপির সাবেক সভাপতি মরহুম গোলাম মাহমুদ জাহাঙ্গীর মিয়ার হাত ধরে। সাংগঠনিক ভাবে যুক্ত হন পৌর বিএনপির সহসভাপতি মরহুম আবদুজ জাহের কন্ট্রেক্টরের মাধ্যমে। সে সময় তিনি দিদার উদ্দিনকে করা হয় পৌর ৮নং ওয়ার্ড বযুবদলের সভাপতি। এরপর মরহুম আবদুজ জাহের কন্টেক্টর উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি হলে সেই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হন মো. দিদার উদ্দিন। দায়িত্ব পালন করেছেন পৌর ৮নং ওয়ার্ডের যুবদলের সভাপতি হিসেবেও। জানা যায়, মরহুম আবদুজ জাহের কন্ট্রেক্টরের মৃত্যুর পর একই কমিটির সাধারন সম্পাদক হন দিদার উদ্দিন। ২০১২সালের সেই কমিটি অনুমোদন করে তৎকালীন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সভাপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২০১৭ সাল থেকে উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বিএনপির মূল ঘরানার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় অংশগ্রহন করে রাজপথে থেকেছেন সবসময়। ১৭বছরের ফ্যাসিস্টের স্ট্রীম রোলারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সক্রিয় ছিলেন দলীয় কর্মকান্ডে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মোহাম্মদ দিদার উদ্দিন জানান, এ বিষয়ে তেমন কিছু বলার নেই। এমপি মহোদয় যা ভালো মনে করেছেন তার প্রতি সমর্থন থাকলো। তবে একটি কথা না বললেও নই বিএনপির এ কমিটিতে অন্যান্য অঙ্গ সংগঠন থেকে একাধিক নেতাকে পদ—পদবীতে রাখা হয়েছে। এমনকি উপজেলা কৃষকদলের সভাপতিকে কৃষি বিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে। অথচ আমাকে কোথাও যুক্ত করা হয়নি। নতুন কমিটির জন্য শুভকামনা থাকলো। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন জানান, পদের সংখ্যার সীমাবদ্ধতা থাকায় অনেক সহযোগী সংগঠন থেকে গুরুত্বপূর্ণ অনেককেই নেওয়া যায়নি। আবার ৩০শতাংশ নারী কোটার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। দু একটি অংগ সংগঠন থেকেও কাউকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা জানান, মো. দিদার উদ্দিন দলের দীর্ঘদিনের সহযাত্রী। পরীক্ষিত নেতা। তাকে মূল কমিটিতে যুক্ত করার দাবিও জানান তারা। SHARES উপকূল বিষয়: