রামগতি: আলেকজান্ডারে বার বার অগ্নিকান্ডে সর্বশান্ত ব্যবসায়ীরা

Sarwar Sarwar

Miran

প্রকাশিত: ৬:৫১ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৪, ২০২১
আলেকজান্ডার বাজারে আবারো অগ্নিকান্ডের থাবা

দেশালোক: আগুন আতংকের শহর আলেকজান্ডার। গত কয়েক বছর ধরেন প্রায়শই শহরের কোথাও না কোথাও আগুনের লেলিহান শিখায় সর্বসান্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। বেশিরভাগ আগুনের সূত্রপাত বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকেই।

মাঝে মধ্যেই ঘটে অগ্নিকান্ডের ঘটনা। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি অগ্নিকান্ডের বিবরন তুলে ধরা হলো-

রামগতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল। মধ্যরাতের এ অগ্নিকাণ্ডে ৫৫টি দোকান পুড়ে যায়। এতে প্রায় অন্তত ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনটি কাপড়ের দোকান, তিনটি মুদি দোকান, ছয়টি ওষুধের দোকান, তিনটি চালের আড়ত, পাঁচটি জুতার দোকান, দুটি টিন ও হার্ডওয়্যারের দোকান, নয়টি সোনার দোকান, তিনটি রেস্তোরাঁ এবং অ্যালুমিনিয়ামের দোকানসহ ৫৫টি দোকান পুড়ে যায়।

৫ জুন ২০১৯ সালে আগুনে ১১টি দোকান এবং তিনটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। অগ্নিকাণ্ডে মালামালসহ ৯টি গুদাম ও ৬টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।  শহরের দায়রাবাড়ি রোডে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।  এত প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানান।

২৯ জুলাই ২০২০ সকালে আলেকজান্ডার রাহমানিয়া মসজিদ মার্কেটের পিছনের একটি গুদামে আগুন লেগে বেশ কয়েকটি দোকান ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর আলেকজান্ডার বাজার পৌরসভা কার্যালয় সংলগ্ন বালিকা বিদ্যালয় রোড়ে আগুন লেগে বেশ কয়েকটি দোকান ঘর পুড়ে যায়।

উপজেলার ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে ১৪ মার্চ ভোর রাতে।আগুন লেগে ৬৩টি দোকান ঘর, নগদ টাকা ও মালামালসহ পুড়ে গেছে।

রোববার ভোর ৫টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। রামগতি, কমলনগর ও সুবর্ণচর উপজেলা ফায়ার স্টেশনের ৩টি ইউনিট স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসয়ীরা দাবি করেন অগ্নিকান্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভয়াবহ এ অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকান গুলোর মধ্যে রামগতি পৌরসভা মার্কেটের ৫৩টি এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন ১০টি দোকান ঘর রয়েছে। এতে প্রত্যন্ত এ চরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের অনেকেই নিস্ব হয়ে গেল। একই সাথে পৌরসভা মার্কেট পুড়ে যাওয়ায় রামগতি পৌরসভাও ক্ষতিগ্রস্ত হলো।