ধর্ষণ মামলা থেকে স্বামীকে রক্ষায় রামগতিতে ভাই, ভগ্নিপতি ও চাচার বিরুদ্ধে মামলা

S S

M

প্রকাশিত: ৯:২৯ অপরাহ্ণ, মে ৪, ২০২৫

দেশালোক:

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতারকৃত স্বামীকে বাঁচাতে বাবা ও ভাইয়ে নামের মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। জানা যায়, গত ২৪ মার্চ ভোররাতে উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড দক্ষিণ টুমচর এলাকায় এক গৃহবধু ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগির স্বামী রামগতি থানায় ধর্ষক ভগ্নিপতি জামাল আহমেদ শনিকে প্রধান আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা করেন। পরদিন নোয়াখালী শহর থেকে র্যাব তাকে গ্রেফতার করে। জামাল ওই ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড চরলক্ষ্মী গ্রামের মৃত শফিউল আলমের ছেলে।

৪মে, রবিবার দুপুরে ধর্ষনের শিকার গৃহবধুর সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানান, ধর্ষন মামলার প্রধান হিসেবে জামাল শনি বর্তমান কারাগারে রয়েছেন। পুরো বিষয়টি নিয়ে সে সময় পত্রপত্রিকায় ফলাও করে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। স্বামীকে মামলা থেকে রক্ষায় আমার বোন আসমা বেগম (জামালের স্ত্রী) ক্ষুব্ধ হয়ে আমি, আমার ভাই ও অন্য দুই ভগ্নিপতি ও এক চাচাকে আসামী করে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জমিজমা সংক্রান্ত একটি মিথ্যা মামলা করেছেন। যা ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতারকৃত জামালকে বাঁচানোর পাশাপাশি আমাদেরকে নানা ভাবে হয়রানি করতে উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে মামলাটি করেছেন। তিনি আরো বলেন, ঘটনার ২০দিন পর জমিজমা সংক্রান্ত একটি মিথ্যা মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

ধর্ষিতার স্বামী বলেন, আমার আপন বোন আসমা বেগম বাবার থেকে থাকার জন্য একটি ভিটি চেয়ে নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। পাশাপাশি প্রায় ১০শতক জায়গা জোর করে দখল করে নেন। এখন ধর্ষক স্বামীকে বাঁচাতে উল্টো আমাদের নামে এমনকি নিজ জন্মদাতা বাবার নামেও মিথ্যা মামলা করতে দ্বিধা করেনি। আমি ও আমার পরিবার ভুক্তভোগি হিসেবে মাননীয় আদালত ও প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার প্রত্যাশা করছি।

এ বিষয়ে আসমা বেগম বলেন, তারা আমার স্বামীকে ধর্ষণ মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়েছে। তাই আমিও তাদের নামে মামলা দিয়েছি। এবার তারা বুঝতে পারবে মামলার মজা কেমন।

লক্ষ্মীপুর ডিবির পুলিশেল অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসেন জানান, আদালতের নির্দেশে ঘটনাটি আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে। তবে নিরপরাধ কেউ হয়রানির শিকার হবেনা।